• মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন

জাহিদ হোসেন মুসা মিয়া’র মৃত্যুতে গভীর শোকে স্মৃতিচারণ করলেন মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু

কাজী মোহাম্মদ আলী পিকু / ১২৩ Time View
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০

জাহিদ হোসেন মুসা মিয়া’র মৃত্যুতে গভীর শোকে স্মৃতিচারণ করলেন মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু

পিকে নিউজ ডেস্কঃ

প্রিয় ঝিনাইদহবাসী,গভীর শোক এবং দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আজ দুপুর ২.৪৫ টার সময় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে গেলেন বরেণ্য রাজনীতিবিদ,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ভাষা সৈনিক, অসংখ্য গুণের অধিকারী, খাঁটি সমাজসেবক, আমার অভিভাবক জনাব জাহিদ হোসেন মুসা মিয়া। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।মরহুম মুসা চাচার সাথে আমার রয়েছে অসংখ্য স্মৃতি……..যা কখনোই ভূলবার নয়….স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় চাচা অসংখ্য লিফলেট ও পোস্টার তৈরি করে দিয়েছেন। একদিন লিফলেটের জন্য একটু জোরে কথা বললে তৎকালীন জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতির নিকট আমার সম্পর্কে জানতে চান… আমার পিতার নাম শুনার পর বলেন তিনি তো একটা মিষ্টি ভাষার ভালো মানুষ, তার ছেলে এতো জোরে আর এমন ভাষায় কথা বলে কেন? যাইহোক পরবর্তিতে চাচার নিকট ক্ষমা চাই এবং তিনি ক্ষমা করে দেন।চাচার সান্নিধ্য পেয়েই মূলত ছন্নছাড়া জীবনে অনেক পরিবর্তন সাধিত হতে থাকে। প্রায় সময়ই চাচার সাথে দেখা করতাম এবং অনেক উপদেশ -পরামর্শ গ্রহণ করতাম।আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চাচার রয়েছে অসামান্য অবদান।আমি মেয়র হিসেবে শপথ নিতে যাওয়ার আগে প্রথম চাচার সাথে দেখা করি এবং তাকে শপথ অনুষ্ঠানে নিয়ে যায়। চাচার পায়ে সালাম করেই ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করি।কিছুদিন আগে চাচার নামে পৌরসভার পক্ষ থেকে ভাষা সৈনিক মুসা মিয়া সড়কের নামকরণ করে সেটির উদ্বোধন করেছি। একজন মানুষ কতটা বড় মনের হতে পারে চাচার সান্নিধ্য না পেলে কখনোই আমার জানার সুযোগ হতো না। ঝিনাইদহ পৌর-মডেল স্কুল এন্ড কলেজের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধার জন্য একটা গাড়ী উপহার দিয়েছিলেন। যা স্মৃতি হিসেবে বহুবছর বহণ করবে।মহান মানুষটি সবসময় ভাবতেন মানুষের কিভাবে কল্যাণ করা যায়।সন্তানদেরও সেই আদর্শেই মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তুলেছেন। মহান মানুষ মরহুম মুসা চাচা এবং তার পরিবারের সবার জন্যই বাংলাদেশ তথা ঝিনাইদহের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ গর্ব অনুভব করে। মরহুম জাহিদ হোসেন মুসা চাচার মৃত্যু আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক! তার এই শুন্যতা অপূরণীয়। বরেণ্য এই মহান মানুষটির মৃত্যুতে আমরা ঝিনাইদহবাসী শোকাহত ও মর্মাহত। আমরা একজন খাঁটি সমাজসেবক ও অভিভাবক হারালাম।মহান আল্লাহ তার সকল দোষ -ত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন…. আমীন। ঝিনাইদহে আগামীকাল বাদ যোহর ওয়াজির আলী স্কুল মাঠে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে ।সকলকে অংশগ্রহণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি ।সর্বশেষ বলতেই হয় কীর্তিমানের মৃত্যু নেই!!!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Ads 1